Addiction

a film script by Gautam


সন্ধের কাঁটা পেরিয়ে রাত নামছে বাগবাজারের গলিতে। বছর কুড়ির এক সুদর্শন তরুণ, ডেন্ড্রাইটের নেশা করে দাঁড়াতে পারছেনা সোজা হয়ে, হাঁটু থরথর করে কাঁপছে, পিছনদিকে প্যান্ট খুলে ক্লিভেজ দেখা যাচ্ছে। দূরে তার দুই বন্ধু পালিয়ে যাচ্ছে।

The boy –  এই…এই সিধু তোরা যাসনা…আমাকে নিয়ে চল। আমি একা একা পারবোনা। কিকরে যাব? আমায় ধর…দাঁড়াবোওওওওওওও…সিধু…

[A hand holds his arm.He stands up.]

সিধুরা চলে যাচ্ছে। (to her)

[A young girl around 17 / 18 is seen. She helps the boy to stand up. She is returning after her tuition class.]

এই… আমি একা যেতে পারবোনাআআআআ…

The girl – কার কথা বলছো !? এখানে কেউ তো নেই…!

The boy – ওই তো…ওরা…সিধুরা…বন্ধুউউউউউ

The girl– কোথায়…!?

The boy – ওই…ওখানে…

The girl – দাঁড়াও দেখছি।

[He trembles again. She makes him stand against the support of wall. Then she rushes to the direction where other boys escaped.

Boy stands alone, resting on wall in a dimlit narrow bagbazar lane.

A ।unatic man murmuring to himself about to cross the boy]

The man – শালাআআ, ছিপিএমের বাচ্চা… দিদির সঙ্গে ক্যাদরানি… যা ঢুকে…আলু বেচে, কলা খাও…ধুলো মেখে, পটল তোল…দিদির ভোট, মোদির বাক্সে…হুসসসসসসসস…যা ঢুকে…

[The man notices the boy. He sits down on the lane, just beside the boy.]

The man – এট্টু দাওনা… (ছেলেটাকে ঠেলা মারে) দাওনা গো…

[By this time the girl returns. She stares at the man]

The girl – কই…ওদিকে কেউ তো নেই…আমি তো সিধু সিধু বলেও ডাকলাম। চলো…এখান থেকে চলো।

[Then she holds his arm again and drags him]

The man – হ্যাঁ সেতো যাবেই। তবু একটু দিয়ে গেলেনা, অ্যাঁ?…টের পাবে…সবাই টের পাবে…সব ব্যাটা হাড়ে হাড়ে বুঝবে। দিদি-মোদি ভাইভাই। হুইইইইইই…..।।

The lunatic man murmurs alone. Creating some fighter plane and bombing sounds.The boy and girl disappearing.

Cut to

Now they are walking through main road. Roma holds his hands tight. Few people stare at them.

The girl– কি হয়েছে তোমার? (Boy doesn’t respond) তোমার বাড়ি কোথায়? (boy nods) কি মুশকিল…চা খাবে…?… (they stopped near a tea stall)… দুটো চা দাও তো দাদা। আর দুটো বিস্কুটও দাও।

[The boy takes two biscuits from tea-stall and gives it to street dog. Now the girl is little confused and embarrassed. Tea stall owner places two tea cups. The girl takes one and sips. The boy all on a sudden starts walking without taking tea. Girl hurriedly hands over the money to the tea stall owner and rushes to the boy]

Cut to

They are now walking through another narrow lane. All on a sudden the boy sits on the rock of one house.

The boy – আমি আর হাঁটবোনা।

(ছেলেটি রকের ওপর শুয়ে পড়ে)

The girl – আরে…প্লিজ…ঠিক আছে, তোমার বাড়ির নম্বরটা বলো (Boy doesn’t respond) তোমার ফোনটা দাও, আমি খুঁজে নিয়ে ফোন করছি।

[Then she sits beside him and leans forward to search the boy’s phone in his pockets. All on a sudden her phone rings. She brings out her cellphone. Looks at the number]

সেরেছে…”হ্যাঁ বাবা…জানি একটু দেরী হচ্ছে…স্যার এইমাত্র ছাড়লো…আমি এখন পারমিতার নোটগুলো জেরক্স করাচ্ছি। হ্যাঁ, আরেকটু দেরী হবে…কই…? ও……!সাড়ে নটা বেজে গেছে!? জেরক্সের দোকানে একটু ভীড় তো। হ্যাঁ…হ্যাঁ…ঠিক আছে।

The girl disconnects the phone. In the meantime a bare bodied aged person comes out from the house. He stops a bit. Stares at them. Then starts shouting.

Aged man – কি হচ্ছে কি এখানে? আমার বাড়ির রকটা কি কুঞ্জবন!!?? পেঁদিয়ে উল্কাট বানিয়ে দেব। আপদ কোথাকার।

তারপর হঠাৎই একটা আধলা তুলে, ওদের দিকে ছুড়ে মারে।

The boy – এই শালা…

Girl helps him up and proceeds to leave / escape. The man goes on shouting.

Cut to

Now they are inside a running taxi

The girl– Hello…helloooo…কথা বলো…বাড়ি চিনতে পারবে তো?…আরে তোমার নামটা তো বলো?

Then suddenly taxi stops. Two policemen ask the driver to park the taxi on the roadside.

The girl – (To taxi-driver) কি হলো কাকু?

Taxi-driver – আর বোলনা। এ শালাদের খালি পয়দা খাওয়ার চক্কর।

Taxi driver gets down with all his papers. All on a sudden boy realises this and gets down from the taxi and escapes. The girl has no other option but to follow him

Cut to

প্রায় জনশূন্য চলন্ত এক রেলগাড়ির কামরায় ওদের বসে থাকতে দেখা যায়।

The boy –Sorryyyyyy…

The girl – আর সরি…বাড়ি ফিরে আমার কপালে কি লেখা আছে ভগবানই জানে। তিনবার ফোন এসেছিল, লাস্টেরটা কাকা। ফোন তো সুইচ অফ করে দিয়েছি… এখন জানিনা কি হবে…ঠিক করে বলো তো, তোমার কি হয়েছে কি?

(The boy holds her hand and says innocently)

The boy – I love you babyyyy….

মেয়েটি হেঁসে ফেলে।

The girl – Hi…আমি রমা। Nice to meet you Mr…hello….এই আবার কি হল…!!! আরে নামটা তো বলো?

The boy laughs. By this time a thin man, looking like a drug addict, comes towards them and sits down in front.

The addict – ফোনগুলো চটপট দিয়ে দাও। (Roma holds the boy tight.) শুনতে পাচ্ছোনা…? (he brings out a knife. The boy hurriedly takes out his phone and gives it to the man)…কি হল তোমারটাও দাও ফটাফট… (Roma resists) এই তোর লাভারকে ফোনটা বার করতে বল (চোখ মারে)……বুঝতেই পারছিস…ফাঁকা ট্রেন, কেউ আসবেনা…

Roma too brings out her phone, hurriedly.

Cut to


ওদের এখন বাগবাজারের নদীর পার বরাবর হাঁটতে দেখা যায়।

Roma – কি হল…তোমার বাড়ি চিনতে পারছো? এখানেই তো বললে…আমি তাহলে এবার যাই। এরপর আমায় আর বাড়ি ঢুকতে দেবেনা…

The boy – বাড়ি হারিয়ে গেছে…

Roma – মানে…

Roma starts crying. Boy wipes her tears with his hands.

The boy – (ঘাটের সিড়ির দিকে দেখায়) ওখানে পাঁচ  মিনিট বসি…প্লিইইজ…(রমা হেসে ফেলে।)

[গঙ্গার দিকে মুখ করে ওরা ঘাটের সিড়িতে বসে। ছেলেটি রমার কাঁধে এলিয়ে পরে। রমা ওর হাতটা আস্তে করে ধরে থাকে। আধোঅন্ধকার গঙ্গাকে সামনে রেখে দুটো ছায়ামূর্তি বসে আছে। রাতের গঙ্গা বয়ে চলেছে। উল্টোদিকে টীমটীম করছে কিছু চিমনির আলো।]

বেশ কিছু সময় কেটে গেছে / After few months

ছেলেটি হইহই করতে করতে সাউথসিটির গেট থেকে বেরিয়ে আসছে, সঙ্গে কয়েকজন বন্ধুবান্ধব। রমা সেইসময় ঢুকছে। হঠাৎই ওকে দেখতে পেয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। হাত তুলে ডাকতে গিয়ে থমকে যায়। তারপর ‘এই, এই’ বলে চেঁচাতে থাকে। ছেলেটি ততক্ষণে বেশকিছুটা এগিয়ে গেছে। থমকে গিয়ে দাঁড়ায়। পিছন ফিরে দেখে। চোখাচোখি হয়। কিন্তু চিনতে পারেনা। আবার হাঁটতে শুরু করে। রমা আরো একবার হাত তুলে ডাকতে গিয়ে থেমে যায়। থম মেরে দাঁড়িয়ে থাকে কিছুক্ষণ। পারমিতা, রমার বন্ধু হাঁপাতে হাঁপাতে এসে রমাকে ঠেলা মেরে বলে ‘কিরে তুই এখানে ভেবলির মত দাঁড়িয়ে পড়লি কেন?’ রমা বলে- ‘কিছু না, চল’। ওরা সাউথসিটির ভিড়ে হারিয়ে যায়।

The end

Photographs by Dipbrata & Gautam

 Statutory warnning

The photographs and articles/scripts featured in this blog section are exclusive intellectual properties of Booze Production. Reproduction or copying of these content (photo or text) in any form – electronic or print in any medium and in any geographical location is strictly prohibited without the prior written consent of Booze Production and if such material is found copied or produced anywhere even if coincidental, Booze Production would have the rights to proceed on litigation for violation and infringement of copyright and intelletual property.

2 thoughts on “Addiction”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *